২০২৩ সালের মধ্যে অবশিষ্ট ৭৩৬টি ইউনিয়ন এবং দুর্গম চর,হাওর, দ্বীপ এবং অধুনালুপ্ত সিট মহলসহ বাড়ি বাড়ি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।
বুধবার (১৭ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০১৯ এর চতুর্থ দিবসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ বিষয়ক অধিবেশনের বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, জেলা প্রশাসকগণ হচ্ছেন তৃনমূল পর্যায়ে জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতুবন্ধন, সরকারের কর্মসূচি বাস্তবায়নের অন্যতম চালিকা শক্তি। মন্ত্রী তার মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন এবং চলমান অগ্রগতি এগিয়ে নিতে জেলা প্রশাসকগণ নিষ্ঠার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালনে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ২০২২ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে গৃহীত কর্মসূচি বাস্তবায়নে গ্রাম পর্যন্ত ডিজিটাল কানেকটিভিটি পৌছাতে হবে। এই ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকদের অগ্রণি ভূমিকার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৪০০০ ইউনিয়নে দ্রুত গতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ পৌছে গেছে। ২০২০ সালের মধ্যে অবশিষ্ট ৭৩৬টি ইউনিয়ন এবং দুর্গম চর,হাওর, দ্বীপ এবং অধুনালুপ্ত সিট মহলে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা হবে।
ডিজিটাল কানেকটিভিটিকে ডিজিটাল প্রযুক্তির মহাসড়ক উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ডিজিটাল মহাসড়ক নির্মাণ করছে। ২০০৮ সালের আগের বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশের মধ্যে পার্থক্য অভাবনীয়। ২০০৮ সালে দেশে মাত্র ৮ জিবিপিএস ইন্টারনেট ব্যবহৃত হত যা বর্তমানে প্রায় ১৩০০ জিবিপিএসে উন্নীত হয়েছে। ৪ কোটি ৮ লাখ মোবাইল ব্যবহারকারির বাংলাদেশ আজ ১৫ কোটি ৫০ লাখে উন্নীত হয়েছে।